রাখাইন রাজ্যের সমস্যাটি আন্তর্জাতিক আদালত তোলার বিষয় নয়: সু চি

0
63

মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নিজ দেশের সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও গণধর্ষণসহ নানা নির্যাতন ও নিধনযজ্ঞের বিচারে জবাব দিচ্ছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি।

নেদারল্যান্ডের হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) শুনানির দ্বিতীয় দিনে বুধবার (১১ ডিসেম্বর) মিয়ানমারের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরছেন বিশ্বশান্তিতে নোবেল বিজয়ী সু চি।

প্রথম দিনে মামলার বাদী দেশ গাম্বিয়ার বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে অং সান সু চির দাবি, ‘রাখাইন রাজ্যের সমস্যাটি আন্তর্জাতিক আদালতে আনার মতো বিষয় নয়। মিয়ানমার যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে তা গাম্বিয়ার উপলব্ধি করা উচিত।’

গাম্বিয়ার সমালোচনা করে যুক্তি তুলে ধরে সু চি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা বিদ্রোহীরা নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা করেছে। তারা সাধারণ জনগণের ওপরও হামলা চালিয়েছে। সেসব কথা গতকাল কোনো বক্তা উল্লেখ করেননি।’

দেশটির স্টেট কাউন্সিলরের দাবি, ‘২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট বিদ্রোহীরা তিনটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা করেছিলো, সামরিক বাহিনী সেসব হামলার তদন্ত করেছে। সেনাবাহিনীর যেসব সদস্য অপরাধ করেছে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

গণহত্যা একটি অপরাধ। গণহত্যা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার প্রথম সারিতে রয়েছে বলে আদালতকে জানান সু চি।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় নেদারল্যান্ডের হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও গণধর্ষণসহ নানা নির্যাতন ও নিধনযজ্ঞের বিচার শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে গাম্বিয়া ও জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্টরা যুক্তি তুলে ধরেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here